প্রয়োজনীয়তা নাকি নীতিরও ধার ধারে না। এটাকে ব্যাখ্যা করলে বুঝতে পারা যাবে যে কেন প্রয়োজনকে আবিস্কারের জননী বলা হত। বিষয় কোনদিনই বিষয়বস্তু বিহীন অসামন্জস্যতায় পর্যবসিত হয় না। বিষয়কে আরো ব্যাখ্যা করার প্রয়োজনে সাবজেক্টিভ টেস্টিং হয়তো অনিবার্য, নানা আবশ্যকীয়তায় এটা ধরা পড়ে মানুষের মননশীলতার কাছে।এটা উন্নয়নের জন্যই দরকার হবে। এভাবে দেখতে দেখতেই অতিক্রান্ত সময়ই আবারও বিষয় হয়ে নিজেই ধরা দেবে কোন আর এক সময়। কিন্তু প্রয়োজন তবু একদম ফুরাবে না। এটা হতে পারে না।
স্বচ্ছন্দের জন্য যানবাহনের গুরুত্বের কথা কোনদিনই বলে বোঝানো যাবে না।দূরত্বের ধারনা পাল্টেছে বহুকাল হয়ে গেছে। আমরা দূরত্বকে এখন আর কল্পকাহীনির ভাষায় ব্যাক্ত করি না। এই দূরত্ব যতই ঘুচে যাচ্ছে ততই যেন মানষিক দূরত্ব বাড়ছে সবার মধ্যে। মানুষের পরিবর্তিত ভাষার মধ্যে এসবের প্রমান আছে। একটি নির্দিস্ট সময়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হলে কোন কোন অনিশ্চয়তাকে তাদের মোকাবেলা করতে হবে একটি নির্দিস্ট সমাজ কখনই তা জানবে না।হোক সেটা গঠনমূলক কাজ বা ধ্বংসাত্বক। কেননা এঅবস্থায় নীতি নৈতিকতার প্রশ্নটিও অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে আছে। সব মানুষই যে নীতি নৈতীকতার ধার ধারে তা নয়।এজন্য প্রেক্ষিত বিবেচনায় বিভিন্ন সমাজের বাস্তব অবস্থাকেই পর্যবেক্ষনের আওতায় আনতে হবে। গঠনমূলক সমাজে একটি বিষয় খুবই কমন। এটা হচ্ছে এসব সমাজে বিভিন্ন মীথের প্রচলন রয়েছে। এবং উপরন্তু এসকল মীথের মধ্যেও একপ্রকার সাজুস্য আছে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন