মানুষ ভারবাহী পশু না হলেও বোঝা তাকে বহন করতেই হয়।বোঝা শব্দটা সুখকর না শোনলেও নিজ সংসারের বোঝা বহন করতে অনেকেই গর্ববোধ করে থাকেন।একাকিত্বের পাল্লায় পড়া অস্বাভাবিক না।একাকি মানুষদের মধ্যেই বিভিন্ন মানষিক সমস্যা তৈরী হয়। একাকিত্ব কারোই কাম্য না তাই বলে কি নিজের বোঝাটাও অন্যের উপর চাপিয়ে দেয়া যাবে। আসলে সত্যি বলতে কি সম্পূর্ন ফ্রেশ এবং একটি 'আউট অফ দি বক্স' মানষিকতা কোথাও দেখতে পাওয়া যাবে না। মানষিক টানাপোড়েন আমরা যে সমাজে আছি সেই সমাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। পরিবারকেন্দ্রিক সমাজ গুলি ভেঙ্গে এখন ক্ষুদ্র পরিবার হতে ক্র্রমান্বয়ে এক একটি বৃহত্তর সমাজের রূপরেখা তৈরী হয়। এটা এযুগে ঘটেই চলছে। সমাজের এই পরিবর্তনকে উপলব্ধি করে এর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে সব মানুষই একপ্রকার বাধ্য থাকে। তা না হলে ভবিষৎতের অনাগত শিশুর জন্য অনিশ্চয়তায় ভরা পৃথিবী হবে।
স্বচ্ছন্দের জন্য যানবাহনের গুরুত্বের কথা কোনদিনই বলে বোঝানো যাবে না।দূরত্বের ধারনা পাল্টেছে বহুকাল হয়ে গেছে। আমরা দূরত্বকে এখন আর কল্পকাহীনির ভাষায় ব্যাক্ত করি না। এই দূরত্ব যতই ঘুচে যাচ্ছে ততই যেন মানষিক দূরত্ব বাড়ছে সবার মধ্যে। মানুষের পরিবর্তিত ভাষার মধ্যে এসবের প্রমান আছে। একটি নির্দিস্ট সময়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হলে কোন কোন অনিশ্চয়তাকে তাদের মোকাবেলা করতে হবে একটি নির্দিস্ট সমাজ কখনই তা জানবে না।হোক সেটা গঠনমূলক কাজ বা ধ্বংসাত্বক। কেননা এঅবস্থায় নীতি নৈতিকতার প্রশ্নটিও অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে আছে। সব মানুষই যে নীতি নৈতীকতার ধার ধারে তা নয়।এজন্য প্রেক্ষিত বিবেচনায় বিভিন্ন সমাজের বাস্তব অবস্থাকেই পর্যবেক্ষনের আওতায় আনতে হবে। গঠনমূলক সমাজে একটি বিষয় খুবই কমন। এটা হচ্ছে এসব সমাজে বিভিন্ন মীথের প্রচলন রয়েছে। এবং উপরন্তু এসকল মীথের মধ্যেও একপ্রকার সাজুস্য আছে।